নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য লেবানন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস। 

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে লেবাননে চলমান অস্থিরতার মধ্যে নিজ দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষার ওপর জোর দেয়ার কথা বলা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এরই মধ্যে একটি হটলাইন স্থাপন করা হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় হটলাইনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। 

কর্তৃপক্ষের তরফে লোকজনকে ‘‌ত্বাজুদি’ পরিষেবা ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এটি মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কনস্যুলার উদ্যোগ, যা বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে তৈরি করা হয়েছে। 

এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর পথেই হাঁটল। এর আগে সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, কাতার ও বাহরাইনের মতো দেশগুলো লেবাননে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল। দক্ষিণ লেবাননের আইন এল হিলওয়েহ ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় এ দেশগুলো সম্মিলিতভাবে তাদের নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। 

গত ২৯ জুলাই শুরু হওয়া ক্রমবর্ধমান এ সহিংসতায় প্রাণহানির শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ১৩ জনকে প্রাথমিকভাবে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রভাবশালী ফাতাহ গোষ্ঠী ও কট্টরপন্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। 

লেবাননে থাকা ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরের মধ্যে আইন এল হিলওয়েহকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। লেবাননে আনুমানিক আড়াই লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থীর বসবাস। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার শরণার্থীর বাস এ আইন এল হিলওয়েহ শিবিরে।