চলতি বছরের মার্চে কলোম্বিয়া থেকে ৫৯ লাখ টন কয়লা রফতানি হয়েছে, ২০১৯ সালের একই মাসের তুলনায় যা সাড়ে ৬ শতাংশ বেশি। তবে রফতানি বৃদ্ধির পরও খাতটিতে দেশটির আয় ৩০ শতাংশের বেশি কমেছে। মূলত মহামারীর মধ্যে কয়লার দাম কমে যাওয়ায় এ খাতে দেশটির আয় কমেছে। অন্যদিকে আগের বছরের তুলনায় বাড়লেও মার্চে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় কলোম্বিয়া থেকে কয়লা রফতানি ১৭ শতাংশ কমেছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস।

কলোম্বিয়ার ন্যাশনাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিপার্টমেন্ট অব স্ট্যাটিস্টিকসের (ডিএএনই) তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে কয়লা রফতানিতে উল্লম্ফন দেখা দিলেও খাতটিতে কলোম্বিয়ার আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। মার্চে কয়লা রফতানি থেকে দেশটি মোট ৩২ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার আয় করেছে, ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় যা ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ কম। অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় এ খাতে দেশটির আয় কমেছে ৩০ শতাংশ।

নভেল করোনাভাইসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। লকডাউনের জের ধরে দেশে দেশে জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসসহ সব ধরনের জ্বালানি পণ্যের চাহিদা রেকর্ড কমেছে। চাহিদার এমন অপ্রত্যাশিত পতনে জ্বালানি পণ্যের দামে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সব ধরনের জ্বালানির দাম ব্যাপক হারে কমে গেছে। বাদ যায়নি কয়লার বাজারও। ফলে মহামরীর  মধ্যে পণ্যটির রফতানি বৃদ্ধি সত্ত্বেও কলোম্বিয়ার আয় রকের্ড হারে কমেছে।

এদিকে মার্চসহ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকেও (জানুয়ারি-মার্চ) দেশটির সম্মিলিত কয়লা রফতানিতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এ সময়ে পণ্যটি রফতানি থেকে দেশটির আয়ও বেড়েছে। ডিএএনইর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের প্রথম তিন মাসে দেশটি মোট ২ কোটি ৭১ লাখ টন কয়লা রফতানি করেছে, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। মূলত বছরের প্রথম দুই মাসের রেকর্ড রফতানি বৃদ্ধি এর পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। এ সময়ে পণ্যটির রফতানি থেকে দেশটির আয় দাঁড়িয়েছে ১৬১ কোটি ডলার, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।