বৈশ্বিক ভুট্টা উৎপাদনে তৃতীয় ব্রাজিল। সরবরাহের ক্ষেত্রেও বিশ্ববাজারে বড় হিস্যা রয়েছে দেশটির। কিন্তু ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে ব্রাজিলে ভুট্টা উৎপাদন হ্রাসের পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)।
প্রতিষ্ঠানটির গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (জিএআইএন) প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে ব্রাজিলের ভুট্টা উৎপাদন ৯ কোটি ৪০ লাখ থেকে কমে ১ কোটি ১০ লাখ টনে নেমে আসবে।
দেশটির খরা পরিস্থিতি কাটছে না। ফলে এ বছর কৃষিপণ্যটির আবাদ দেরিতে শুরু হয়। শুষ্ক আবহাওয়ার করণে ফলনও বিপর্যস্ত হয়েছে। পূর্বাভাস সত্য হলে এটিই হবে ২০১৭-১৮ বিপণন মৌসুমের পর সর্বনিম্ন ভুট্টা উৎপাদন। ওই মৌসুমেও খরার কারণে উৎপাদন মন্দার মুখে পড়েছিল।
এদিকে উৎপাদনের পাশাপাশি পণ্যটির রফতানি কমার পূর্বাভাসও দিয়েছে ইউএসডিএ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৯-২০ বিপণন মৌসুমের তুলনায় রফতানি ২৩ শতাংশ কমতে পারে। এ সময় রফতানির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ কোটি ৭০ লাখ টনে। তবে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে রফতানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে ইউএসডিএ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ব্রাজিলের মুদ্রার বিনিময়মূল্য হ্রাস ও ভুট্টার উৎপাদন বৃদ্ধি আগামী মৌসুমে রফতানি বাড়াতে সক্ষম হবে। এ সময় রফতানির পরিমাণ বেড়ে চার কোটি টনে উন্নীত হতে পারে। তবে পশুখাদ্যের ব্যাপক চাহিদার কারণে আগামী মৌসুমে ভুট্টার আমদানিও বাড়াবে ব্রাজিল। এ সময় ৩০ লাখ টন ভুট্টা আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে প্রতিকূল আবহওয়ার কারণে ব্রাজিল ৬২ লাখ ৫০ হাজার টন গম উৎপাদনে সক্ষম হবে। তবে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, আগামী মৌসুমে উৎপাদন কমবে। ইউএসডিএ জানায়, ২০২০-২১ মৌসুমে ব্রাজিলের গম আমদানি অপরিবর্তিত থাকবে। এ সময় দেশটি ৬৫ লাখ টন গম আমদানি করবে।
ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলের স্থানীয় বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। ফলে ২০২০-২১ মৌসুমে কৃষিপণ্যটির উৎপাদন স্থিতিশীল থাকবে। এ সময় দেশটির উৎপাদিত চালের পরিমাণ দাঁড়াবে ৭৯ লাখ টনে।










