কয়েক বছর ধরে ঘাটতির মুখে থাকলেও এবার চীনে ভুট্টার উৎপাদন বাড়তে পারে। এ বছর খাদ্যশস্যটির উৎপাদন ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ২৭ কোটি ৭২ লাখ টনে উন্নীত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির একটি সরকারি সংস্থা। খবর রয়টার্স।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত মৌসুমেও লক্ষ্য থেকে অনেক পিছিয়ে ছিল কৃষিপণ্যটির উৎপাদন। তবে এ বছর পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। পূর্বাভাস বলছে, চলতি বছর ভুট্টা আবাদি জমির পরিমাণ ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার হেক্টরে পৌঁছবে। চায়না ন্যাশনাল গ্রেইন অ্যান্ড অয়েলস ইনফরমেশন সেন্টার এক বিবৃতিতে এ পূর্বাভাস দেয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে দেশটিতে ঘুর্ণিঝড়ে ভুট্টার আবাদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমে যায় শস্যটির অস্থায়ী মজুদ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে এ বছর ভুট্টা আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। যদিও রাষ্ট্রীয় মজুদ কমাতে ও সয়াবিনসহ অন্যান্য শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এর আগের বছরগুলোতে চীন ভুট্টা আবাদি জমির পরিমাণ কমানোর কথা জানিয়েছিল।

করোনা সংকটে খাদ্যশস্যের সরবরাহ সংকুচিত হয়ে আসায় দেশীয় ভুট্টার দাম বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতির মধ্যেই ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস আশার সঞ্চার করেছে।

চীনে ভুট্টা উচ্চফলনশীল একটি শস্য। এ বছর শস্যটির দামও উল্লেখ্যযোগ্য হারে বেড়েছে। শেংডা ফিউচারের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মেং জিনহুই বলেন, কৃষকরা তাদের উপার্জন বাড়ানোর জন্য আবাদের পরিমাণ বাড়াবেন। তিনি আরো বলেন, আগে সয়াবিন চাষে খুব একটা গুরুত্বারোপ করা হতো না। তবে ন্যাশনাল পলিসিতে পরিবর্তন আসছে। ফলে সয়াবিন খাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে সরকার।