ঢাকার বনানীর একটি ক্লাবে বুধবার আয়োজিত এ সভায় সংগঠনের ৪২টি সদস্য এজেন্সির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এএএবি সভাপতি সানাউল আরেফীনের সভাপতিত্বে এজিএমে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, এজেন্সির নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী, রামেন্দু মজুমদার, মুনীর আহমেদ খান এবং বিজ্ঞাপনী শিল্পের প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ইউসুফ হাসান। এএএবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এএএবির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহসানুল আপন বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন। এ সময় তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চলমান নীতিমালা-সংক্রান্ত অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমের ওপর জোর দেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সভায় উত্থাপিত প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে ছিল ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের পেমেন্ট চ্যালেঞ্জ, ভ্যাট ও ট্যাক্স-সংক্রান্ত জটিলতা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বচ্ছতা এবং বিজ্ঞাপনী শিল্পের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের প্রয়োজনীয়তা।

সভায় এএএবির কোষাধ্যক্ষ সারাহ আলী অডিটকৃত আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন। এ সময় উপস্থিত সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৪ সালের নভেম্বরের এজিএমের কার্যবিবরণী, বার্ষিক প্রতিবেদন, কোষাধ্যক্ষের রিপোর্ট, অডিট রিপোর্ট এবং ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন করেন।

পাশাপাশি নতুন অডিটর নিয়োগ ও তাদের পারিশ্রমিকও নির্ধারণ করা হয়।

একটি বিশেষ পর্বে এএএবির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ মারুফ সংগঠনে যোগ দেয়া নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান এবং উপকমিটির সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বিজ্ঞাপনী শিল্পকে শক্তিশালী করতে সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় এএএবির কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে ড. মুহম্মদ রিসালাত সিদ্দীক এবং মেহরুন নেসা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সহসভাপতি নাজিম ফারহান চৌধুরীর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে।