দেশের শীর্ষ ইস্পাত কারখানাগুলোর দূষণ কমাতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে চীন সরকার। এতে সম্প্রতি পড়তে শুরু করেছে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প উপকরণ আকরিক লোহার দাম। কমতে শুরু করেছে ইস্পাত উৎপাদন।

চীনে সবচেয়ে বেশি ইস্পাত কারখানা রয়েছে তাংশান শহরে। সেখানকার কারখানাগুলো বায়ুমান লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়। বায়ুদূষণের অভিযোগে তাংশানের চারটি কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।

৮ মার্চ শহরটিতে দ্বিতীয় স্তরের দূষণ সতর্কতা জারি করা হয়। সে সময় তাংশানের ভারী শিল্প-কারখানা যেমন স্টিল তৈরি বা কোক কয়লায় পরিণত করার শিল্প-কারখানাগুলোকে উৎপাদন কমাতে বলা হয়।

চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইস্পাত উৎপাদনকারী দেশ। সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও নিয়ন্ত্রণের কারণে চীনা নববর্ষকে সামনে রেখে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টিল উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ ব্যবসা করবে বলে আশা করেছিল তা নষ্ট হয়ে গেছে।

সিঙ্গাপুরের নেভিগেট কমোডিটিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাটিলা উইডনেল বলেন, স্টিল তৈরির কারখানাগুলোর উৎপাদন সীমিত করতে চীন সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে তা দেশটির জন্য দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি করবে। সরকার যদি স্ক্র্যাপ ইনটেনসিভ ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস উৎপাদন বাড়াতে চায় তাতেও লাভ হবে না।

চীন সরকারের কঠোর এ নীতির কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আকরিক লোহার চাহিদা অনেক কমেছে। গত মাসে চীনে প্রধান আকরিক লোহা রফতানিকারকদের চালান মাসওয়ারি কমেছে ১১ দশমিক ২ শতাংশ।