টিনের বাজারে বেশ জোগানস্বল্পতা দেখা দিয়েছে। যদিও দ্য লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) টনপ্রতি টিন বিক্রি হচ্ছে ২৭ হাজার ১৩৫ ডলারে, যা গত ফেব্রুয়ারির ১০ বছরের রেকর্ড সর্বোচ্চ ২৭ হাজার ৫০০ টনের প্রায় কাছাকাছি। খবর রয়টার্স।
দাম চাঙ্গা থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টিনের স্বল্পতা দেখা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে নিজেদের শেষ আশ্রয় হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে চীন। অপরিশোধিত টিনের এক সময়ের নিট আমদানিকারকের স্থলে নিজেদের নিট রফতানিকারকে দাঁড় করিয়েছে দেশটি।
বিশ্বের বৃহত্তম টিন উৎপাদক দেশে পরিণত হয়েছে চীন। তবে ২০১৯ ও ২০২০ সালে আমদানিও স্বাভাবিক রেখেছে তারা। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে রফতানি ৯৩৯ টনে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৯ সালের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। প্রথম প্রান্তিকে সম্মিলিতভাবে ২ হাজার ১৫১ টন টিন রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের মোট রফতানির অর্ধেকের চেয়ে বেশি। এদিকে রফতানি বাড়লেও চীনের টিন আমদানি ন্যূনতম পর্যায়ে নেমে এসেছে।
চীনে পরিশোধিত টিন উৎপাদন বাড়ছে। স্পষ্টত মিয়ানমারে রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকলেও কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ হয়নি।










