শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান শিল্প নীতিগুলো যুগোপযোগীকরণে শিল্প মন্ত্রণালয়কে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। একই সঙ্গে বিসিক শিল্পনগরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থিত বিএসটিআইয়ের ল্যাবরেটরিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন ও পরীক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গতকাল শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। এ সময় এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী, সহসভাপতি মো. মুনির হোসেন, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মাহবুবুল আলম বলেন, ‘উপযুক্ত শিল্প নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশ, পণ্য উন্নয়ন ও মূল্য সংযোজন, মেধা সম্পদের অধিকার সংরক্ষণ, খাতভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি তৈরি, উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও গবেষণা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।’
ব্যবসায় ব্যয় হ্রাসে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বিএসটিআইয়ের ল্যাবরেটরিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত প্রযুক্তির ঘাটতি থাকায় ব্যবসার ব্যয় অনেকাংশে বেড়ে যাচ্ছে। প্রধান সমুদ্রবন্দরটিতে দ্রুত আধুনিক পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি স্থাপন করা গেলে সেখানে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া আরো সহজ ও দ্রুততর হবে। এতে ব্যবসার ব্যয় কিছুটা কমে আসবে।’
এ সময় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে ও ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে শিল্প মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বিএসটিআই ভবনের নির্মাণকাজ অনেকদূর এগিয়েছে। নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে শিগগিরই চট্টগ্রাম বন্দরে বিএসটিআইয়ের আধুনিক পরীক্ষাগার স্থাপন করা হবে।’










