যুক্তরাষ্ট্রের
ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক রাইডশেয়ারিং কোম্পানি লিফটে আবারো পরিবর্তন এসেছে। লিফটের
নতুন প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিশার এ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ঘোষণা অনুসারে, প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের অচিরেই অফিসে ফিরতে হবে। শুক্রবার
ডেভিড রিশার এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘কর্মীদের অফিসে নিয়মিত করা আমাদের পরিকল্পনার প্রথম ধাপ।’ লিফটের
এক মুখপাত্রের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর সিএনএন।
এক
বিবৃতিতে লিফটের মুখপাত্র বলেন, ‘প্রত্যক্ষ
যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই লিফট কর্মীদের একত্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
পরিকল্পনা
সম্পর্কে লিফট কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করেনি। তবে এ প্রসঙ্গে নিউইয়র্ক টাইমস
প্রতিবেদন করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, রিশার কর্মীদের নতুন কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানিয়েছেন।
সপ্তাহে তাদের অন্তত তিনদিন অফিসে আসতে হবে। মে দিবসের পর থেকে তাদের সোম, বুধ ও বৃহস্পতিবার অফিস করতে হবে। এ প্রসঙ্গে নিউইয়র্ক
টাইমসকে সাক্ষাৎকার দেন ডেভিড রিশার। হোম অফিস কর্মীদের পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করে
দেয় বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, ‘একত্রে কাজ করার মধ্যে তৃপ্তি পাওয়া যায়। কোনো সমস্যা
সমাধানেও তা অধিকতর কার্যকর ভূমিকা রাখে।’
লিফটের
আগের কর্মপরিকল্পনা থেকে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্চে রাইডশেয়ারিং কেম্পানিটি
সম্পূর্ণ নমনীয় কর্মপরিবেশ তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছিল। তখন তারা কর্মীদের যেকোনো
জায়গা থেকে কাজ করার স্বাধীনতা দিয়েছিল।
কর্মীদের
অফিসে ফেরার ঘোষণা দেয়ার একদিন আগেই আরেকটি ঘোষণা দিয়েছিল লিফট। সেখানে তারা ১
হাজার ৭২ জন কর্মী ছাঁটাই করার ঘোষণা দিয়েছিল। এ সংখ্যা তাদের মোট কর্মীর ২৬
শতাংশ। ২৫০টি উন্মুক্ত পদ পরিহার করার ঘোষণাও দিয়েছিল তারা। নভেম্বরের পর থেকে
কর্মী ছাঁটাই-সংক্রান্ত দ্বিতীয় ঘোষণা এটি। তখন কোম্পানিটি ১৩ শতাংশ কর্মী
ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছিল। বৈশ্বিক মন্দার ভীতি থেকে সে সময় এমন ঘোষণা দিয়েছিল
তারা।
রাইডশেয়ারিংয়ের
বাইরে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে উবার। খাবার ও মুদি পণ্য ডেলিভারি তাদের অন্যতম। ফলে
তাদের ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে উবারের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেনি লিফট।
লিফট তাদের সেবায় কোনো বৈচিত্র্য আনেনি। ওয়াল স্ট্রিটের এক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি প্রান্তিকে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তাদের স্টক ৭০
শতাংশ কমেছে।










