চীনের বাজারে বেড়েছে তামার দাম। গতকাল সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো ধাতুটির মূল্য বাড়ে। বিশ্বের শীর্ষ তামা উত্তোলক দেশ চিলি। শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে দেশটির প্রধান দুটি খনিতে তামা উত্তোলন বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। ফলে ধাতুটির বৈশ্বিক সরবরাহ নিয়ে উত্কণ্ঠা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। মূলত এ কারণেই তামার দাম বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার।
সাংহাই ফিউচারস এক্সচেঞ্জে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া তামার জুলাইয়ে সরবরাহ চুক্তিমূল্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। ব্যবহারিক ধাতুটির দাম টনপ্রতি ৭৩ হাজার ৭৯০ ইউয়ান বা ১১ হাজার ৫৯৯ ডলার ৪৭ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। মাসভিত্তিক হিসাবে দাম বেড়েছে ২ দশমিক ২ শতাংশ।
চিলির বড় দুই তামা উত্তোলন খনি স্কোনডিডা ও স্পেন্স। প্রসিদ্ধ খনিজ সম্পদ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান বিএইচপির মালিকানাধীন খনি দুটিতে শ্রমিক অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করেছে। উত্তোলন অব্যাহত রাখতে শ্রমিক বদলি করার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন খনি দুটির শ্রমিকরা। প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করছেন তারা। এতে উত্তোলন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেশ কয়েকটি খাতকে শক্তিশালী করতে বৃহৎ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ লক্ষ্যে হোয়াইট হাউজ ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছে। এ পরিকল্পনা বৈশ্বিক ধাতুর বাজারে বড় সংকট সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মূলত এ দুই কারণেই চীনের তামার বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
সাংহাই ফিউচারস এক্সচেঞ্জে অন্যান্য ধাতুর মধ্যে নিকেলের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৩০ ইউয়ানে পৌঁছেছে। টিনের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ৮ হাজার ৬২০ ও অ্যালুমিলিয়ামের দাম দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১৮ হাজার ৭৯৫ ইউয়ানে দাঁড়িয়েছে। তবে তামার পাশাপাশি জিংকের দামেও পতন দেখা দিয়েছে। ধাতুটির দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে টনপ্রতি ২২ হাজার ৮৭৫ ইউয়ানে নেমে গেছে।










