চলতি বছর ৭০ লাখ টনেরও বেশি চাল রফতানির সম্ভাবনা দেখছে থাইল্যান্ড। রফতানি প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করতে চলেছে। সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির চাল রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন।
অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জানান, বর্তমানে থাইল্যান্ডের মুদ্রার বিনিময় মূল্য ডলারের বিপরীতে অনেকটাই কমেছে। এ কারণে থাই চাল প্রতিযোগিতার বাজারে বেশি আকর্ষণীয়। বিষয়টি রফতানি বাড়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
বৈশ্বিক চাল রফতানিতে প্রথম ভারত, দ্বিতীয় ভিয়েতনাম। এর পরই থাইল্যান্ডের অবস্থান। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটি ২০ লাখ টন চাল রফতানির সম্ভাবনা দেখছে। এই হারে রফতানি অব্যাহত থাকলে তা বছর শেষে ৮০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে বলে মনে করছেন অ্যাসোসিয়েশন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বছরের এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে সর্বাধিক চাল সরবরাহ করেছে থাইল্যান্ড। এর মধ্যে অন্যতম ইরাক। এছাড়া আফ্রিকার বাজারে অব্যাহতভাবে চাহিদা বাড়ার বিষয়টিও মাথায় রাখছে থাইল্যান্ড।
অন্যদিকে এশিয়ার আমদানিকারক দেশগুলো থাইল্যান্ডের চালকে প্রাধান্য দিচ্ছে। কারণ বর্তমানে ভিয়েতনামের তুলনায় থাই চালের দাম তুলনামূলক কম।
তথ্য বলছে, থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ ভাঙা চাল টনপ্রতি ৪১০ ডলারে রফতানি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৪২৮ ডলার। অন্যদিকে একই চাল ভিয়েতনাম টনপ্রতি ৪১৫-৪২০ ডলারে রফতানি করছে।










