এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে গত ২০ আগস্ট ব্যাংকটির লেনদেন বন্ধ ছিল। রেকর্ড ডেট শেষে আজ থেকে ব্যাংকটির শেয়ার লেনদেন আবার শুরু হচ্ছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৩৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২১ শতাংশ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে এনসিসি ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২০ পয়সায়।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনসিসি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৫৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৮৬৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১৫ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার ১৮। এর ৪২ দশমিক ১০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৬ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










