চলতি বিপণন বছরে থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিএআইএন) বলছে, চলতি ২০২০-২১ বিপণন বছরে চালের উৎপাদন আগের তুলনায় বেশ বৃদ্ধি পাবে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।

ইউএসডিএর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বিপণন বছরে থাইল্যান্ডের চাল উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ কোটি ৮৬ লাখ টনে। আগের বছরের তুলনায় যা ৫ শতাংশ বেশি। তবে উৎপাদন বাড়লেও এ বছর খাদ্যপণ্যটির রফতানি রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইউএসডিএ বলছে,  ২০২০ সালে থাইল্যান্ডের চাল রফতানি কমে আসতে পারে ৫৭ লাখ টনে। আগের বছরের তুলনায় যা ২৫ শতাংশ কম। তবে চলতি বছরে রফতানিতে বেশ প্রবৃদ্ধির কথা বলছে মার্কিন সংস্থাটি। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর দেশটির চাল রফতানি বেড়ে ৭০ লাখ টনে গিয়ে দাঁড়াতে পারে।

চালের পাশাপাশি ভুট্টার উৎপাদনের চিত্রও উঠে এসেছে ইউএসডিএর প্রতিবেদনে। যেখানে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ বিপণন বছরে থাইল্যান্ডে ভুট্টার উৎপাদন আগের তুলনায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এ সময় খাদ্যশস্যটির উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৫৬ লাখ টনে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, অনুকূল আবহাওয়া ও চাষাবাদের জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছরে খাদ্যশস্যটির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।   

তবে ২০২০-২১ বিপণন বছরে থাইল্যান্ডে গমজাতীয় খাবারের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূর্বাবস্থায় না ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে ইউএসডি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলতি বিপণন মৌসুমে দেশটিতে গমের আমদানি ১৪ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। সব মিলিয়ে এবার দেশটিতে ৩০ লাখ টনের মতো গম আমদানি হতে পারে। একই কারণে গমের পাশাপাশি চলতি বছরে আটার আমদানিও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে মনে করছে মার্কিন সংস্থাটি। তাদের প্রাক্কলন বলছে, এ বছর খাদ্যপণ্যটির আমদানি গত বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ কমে যেতে পারে।