বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের দাবি পরিশোধের সক্ষমতা (সিপিএ) রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আরগুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৭৭ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ২৮ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এসএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৪৯ পয়সায়।
২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি স্টক এক্সচেঞ্জে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়। এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন দেয়া হয়। আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় ও আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করছে।
২০২৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি। এর ৫০ দশমিক ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৭৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৫ দশমিক ৮২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










