করোনা মহামারীর ধাক্কা সামলে ওঠার চেষ্টা করছে বৈশ্বিক শিল্প খাত। এতে করে তামাসহ ধাতুজ পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। চাহিদা বৃদ্ধির এ জেরে বৈশ্বিক বাজারে তামার দাম টনপ্রতি ১০ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। ২০১১ সালের পর প্রথমবারের মতো ধাতুজ পণ্যটি এ মাইলফলক ছুঁয়েছে। খবর ব্লুমবার্গ।
সম্প্রতি লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে তামার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ১০ হাজার ৮ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ধাতুজ পণ্যটির দাম রেকর্ড বৃদ্ধি পায়। সে সময় পণ্যটির টনপ্রতি দাম দাঁড়ায় ১০ হাজার ১৯০ ডলার।
ধাতুর বাজারে লোহা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে তামার ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এক দশকের মধ্যে এ ধাতুর মূল্য এত বাড়ল।
তামার উচ্চ চাহিদার কারণে এর দাম আরো এক দফা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে প্রযুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার চাপের কারণে তামা উৎপাদনকারী দেশগুলো উৎপাদনসংক্রান্ত ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে পারে।
উৎপাদনকারীরা আশঙ্কা করছেন, খনি থেকে উত্তোলনের ক্ষেত্রে যদি পারিশ্রমিক বাড়ানো হয় তাহলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। ফলে অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তারা পিছিয়ে যাবে।
বিশ্বজুড়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল আউটপুট ও উৎপাদন সূচির ভিত্তিতে এক নোটে কমনওয়েলথ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার গবেষক বিবেক ধর বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশ্বব্যাপী এখন তামার বাড়তি চাহিদার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।










