অফিস স্পেসের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে টোকিও নগরীতে। বড় বড় দালান নির্মাণকাজ এগিয়ে যেতে থাকলেও অফিস স্পেস খালি থাকার পরিমাণ ১০ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ক্রমবর্ধমান হারে মানুষ বাসা থেকে কাজ করতে উৎসাহিত হওয়ার কারণে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যক্রম পরিচালনায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে। খবর নিক্কেই এশিয়া।
অফিস স্পেস নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মিকি শোজির প্রতিবেদন অনুসারে, টোকিওর প্রধান পাঁচটি অঞ্চল চিয়োদা, চিও, মিনাতো, শিনজুকু ও শিবুয়ায় অফিস খালি পড়ে থাকার হার জুলাইয়ে ছিল ৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ। অন্যান্য অঞ্চলেও শূন্য থাকার হার মহামারীপূর্ব পরিস্থিতিকে ছাপিয়ে গেছে। ওসাকায় খালি থাকার হার ছিল ৪ দশমিক ৬ ও নাগোয়ায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।
জরিপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মোরি ট্রাস্টের বিবৃতি অনুসারে, টোকিও শহরে অফিস স্পেসের সরবরাহ গত তিন বছরের শীর্ষে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালে অফিস স্পেস বেড়েছে ১৩ লাখ বর্গমিটার। ২০২৫ সালের মধ্যে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরো ১৪ লাখ ১০ হাজার বর্গমিটার। আবাসন পরিষেবা প্রতিষ্ঠান কোলিয়ার্স ইন্টারন্যাশনাল জাপান দাবি করেছে, ‘আমরা তুলনামূলক কম গ্রাহক পাচ্ছি, যারা এমন অফিস স্পেস খুঁজছেন। বিশেষ করে ২০২২ সালের তুলনায় চলতি বছরের এ সময়ে চাহিদা কমেছে। কিছু অঞ্চলে অফিস স্পেসের ভাড়াও কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।










