ডিবিসি, আইসিএমএবি এবং সিএমএ, শ্রীলংকার যৌথ উদ্যোগে “ইকোনমিক রিকভারি অ্যান্ড লিডারশিপ এক্সিলেন্স: লেসনস ফ্রম শ্রীলংকা” শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সিপিডি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত। ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর ঢাকা ব্রাঞ্চ কাউন্সিল (ডিবিসি) এবং সিএমএ শ্রীলঙ্কার যৌথ উদ্যোগে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি শ্রীলংকার ক্যান্ডিতে আয়োজিত এ প্রোগ্রামে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পেশার সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, নেতৃত্বের উৎকর্ষ এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে সিএমএ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট এবং সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) ও আইসিএএসের সাবেক প্রেসিডেন্ট লক্ষ্মণ আর. ওয়াতাওয়ালা সেশন চেয়ারম্যান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেন্ট্রাল ব্যাংক অব শ্রীলঙ্কার ইকোনমিক রিসার্চ ডিপার্টমেন্টের (ইআরডি) ডেপুটি ডিরেক্টর (ওভারসিইং মানি অ্যান্ড ব্যাংকিং ডিভিশন) ডব্লিউ. এস. পেরেরা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
আইসিএমএবির প্রেসিডেন্ট কাওসার আলম অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ক্যান্ডির পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায়িক অর্থায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুজিবা কোডিথুওয়াক্কু, আইসিএমএবির কাউন্সিলর আলী হায়দার চৌধুরী এবং ইমতিয়াজ আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিএমএবির চেয়ারম্যান মান্নান ব্যাপারী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিবিসির সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডিবিসির ভাইস চেয়ারম্যান শাহানা পারভিন।
কর্মসূচিতে আইসিএমএবি ও সিএমএ শ্রীলংকার প্রায় ১০০ জন সদস্য সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক সদস্য ভার্চুয়ালি এ আয়োজনে যুক্ত হন।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার পেশাজীবীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, পেশাগত যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখে। উভয় প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মধ্যে মতবিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পেশার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধন সুদৃঢ় হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক পেশাগত কর্মসূচি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পেশাজীবীদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, নেতৃত্বের বিকাশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।










