অধিক লাভের জন্য তুলার পরিবর্তে অন্যান্য শস্যের প্রতি ঝুঁকে পড়ায় পাকিস্তানে আবার কমেছে তুলার চাষ।
ফলে তুলা উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ পরিস্থিতিতে গত ১১ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে তুলার স্থানীয় বাণিজ্যিক মূল্য।
খবর ডন।
তুলা ব্যবসায়ী ও কারখানার মালিকরা নিশ্চিত করেই বলছেন যে চলতি মৌসুমে তুলা উৎপাদনে পাকিস্তান তার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না।
সদ্য শুরু হওয়া চলতি মৌসুমে দেশটি ১ কোটি ৫ লাখ বেল (প্রতি বেলে ১৭০ কেজি) তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।
চলতি বছরের মার্চে শেষ হওয়া পূর্ববর্তী মৌসুমে পাকিস্তান সর্বোচ্চ ৫৬ লাখ বেল তুলা উৎপাদন করেছিল।
ওই মৌসুমে সরকারের নির্ধারিত তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ১০ লাখ বেল।
পাকিস্তান কটন জিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. জেসমল বলেন, পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশ থেকে আসা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দেখা যায় অঞ্চলগুলোতে চলতি মৌসুমে ২০ শতাংশের বেশি চাষ কমেছে।
এর অর্থ দাঁড়ায়, চলতি মৌসুমে আমরা আমাদের ১ কোটি ৫ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব না।
ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়েও স্থানীয় বাজারদর অনেকটা বেশি।
সিন্ধু, পাঞ্জাবসহ অনেক স্থানেই কৃষকরা তুলার পরিবর্তে অন্যান্য শস্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছেন।
বিশেষ করে অধিকাংশ কৃষকই ভুট্টা উৎপাদন শুরু করেছেন।
জেসমল জানান, এসব অঞ্চলে কৃষকরা ভুট্টা, আখ, চালসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদনের দিকে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
বছরে তিনবার ভুট্টার ফলন পাওয়া যায় বলে কৃষকরা বেশি আয়ের জন্য এ শস্যের দিকেই ঝুঁকছেন।










