গত বছর করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক ধাতু খাত চরম সংকটে পড়ে। ব্যবহারিক ধাতু তামা উত্তোলন কার্যক্রমেও ব্যাপক প্রভাব ফেলে মহামারী। এ সময় বিশ্বের শীর্ষ ১০টি কোম্পানির তামা উৎপাদন কমে যায়। তবে চলতি বছর কোম্পানিগুলোর তামা উত্তোলনের পরিমাণ বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এ বছর উৎপাদন ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ২২ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় তথ্য বিশ্লেষণকারী কোম্পানি গ্লোবাল ডেটা এ পূর্বাভাস দিয়েছে।

গ্লোবাল ডেটার সহযোগী প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিনিথ বাজাজ জানান, তামা উত্তোলনে চলতি বছর সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি আসতে পারে আমেরিকার ফ্রিপোর্ট ম্যাকমোরান কোম্পানির। কোম্পানিটির তামা উত্তোলনের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়তে পারে। মূলত ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত গ্রাসবার্গ খনিতে উত্তোলন বাড়তে শুরু করায় কোম্পানিটির মোট উত্তোলনের পরিমাণ বাড়বে। এদিকে কানাডার খনিজ সম্পদ উত্তোলনকারী কোম্পানি ফার্স্ট কোয়ান্টাম গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ১ শতাংশ উত্তোলন বাড়াবে বলে জানান বিনিথ বাজাজ। এছাড়া চীনের সবচেয়ে বড় তামা উত্তোলনকারী কোম্পানি জিয়াংজি কপারের উত্তোলনের পরিমাণ বাড়বে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। পাশাপাশি অন্য কোম্পানিগুলোর উত্তোলনেও প্রবৃদ্ধি আসবে।

গ্লোবাল ডেটার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর করোনার প্রভাবে বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর মধ্যে গ্লেনকোরের তামা উত্তোলনের পরিমাণ ৮ দশমিক ২ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া আন্তোফাগাস্তার তামা উত্তোলন কমে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, বিএইচপির ৩ দশমিক ৯ ও ফ্রিপোর্ট ম্যাকমোরানের ১ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে এ সময় ছয়টি কোম্পানি প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল।