জ্বালানি ব্যবহারকারীদের অভিযোগ শুনতে একটি হেল্পলাইন চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এটুআই প্রকল্পের মাধ্যমে জাতীয় হেল্পলাইনে সংযুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। জ্বালানি বিভাগের সচিব নুরুল আলম জানান, জাতীয় হেল্পলাইন বা ৩৩৩ নম্বরে সংযুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে শিগগিরই ঘোষণা আসবে। ঘোষণার পর জ্বালানি ব্যবহারকারীরা তাদের অভিযোগগুলো ট্রিপল থ্রি বা ৩৩৩ নম্বরে জানাতে পারবেন।
জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, এরই মধ্যে তারা এটুআই প্রকল্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এটুআই প্রকল্প থেকে এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য আলোচনা হয়েছে।
দেশে জ্বালানির ভোক্তারা মূলত দুটি প্রধান উৎস থেকে জ্বালানি পেয়ে থাকে। একটি হচ্ছে পেট্রোবাংলা, অন্যটি বাংলাদেশে পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এখানে গ্যাস উত্তোলন, বিতরণ, সঞ্চালন এমনকি বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানির যেসব কোম্পানি রয়েছে তার সবগুলো পেট্রোবাংলার অধীনস্থ।
অন্যদিকে জ্বালানি তেল বিপণন করে বিপিসির কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা। এসব তেল কোম্পানি খুচরা বাজারের ডিলার এবং অন্য বিক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু এত বড় একটি খাতে কোনো ভোক্তা যদি মনে করেন তিনি প্রতারিত হচ্ছেন বা সেবা ঠিকমতো পাচ্ছেন না তাহলে তার তাৎক্ষণিক অভিযোগ জানানো বা প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা নেই।
অথচ একই মন্ত্রণালয়ের অন্য বিভাগ বিদ্যুতে এ ব্যবস্থা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর নিজস্ব হটলাইন রয়েছে। কিন্তু জ্বালানি বিভাগে এমন কোনো ব্যবস্থা এতদিন ছিল না। বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব থেকে জ্বালানি বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর জ্বালানির ভোক্তাদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি হটলাইন নম্বর গ্রহণের নির্দেশ দেন। তবে শেষে এসে জাতীয় হেল্পলাইন নম্বরের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য সব শ্রেণীর মানুষের কাছে সরকারি সেবা ও তথ্য পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ‘সরকারি তথ্য ও সেবা সব সময়’—এ স্লোগানকে সঙ্গে নিয়ে ‘জাতীয় সেবা কল সেন্টার–৩৩৩’ যাত্রা শুরু করে। দেশের নাগরিকরা ৩৩৩ নম্বরে এবং প্রবাসীরা ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩ নম্বরে ফোন করে সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।










