স্টারবাকসের কফিশপে কাজ করবেন সিইও লক্ষ্মণ নরসিংহ। মাসে একবার অর্ধদিবস প্রতিষ্ঠানটির কোনো না কোনো কফিশপে অবস্থান করবেন তিনি। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি ও গ্রাহকের কাছাকাছি থাকতেই নতুন পরিকল্পনা। সম্প্রতি চিঠি মারফত স্টারবাক্স কর্মীদের পরিকল্পনার ব্যাপারে জানানো হয়েছে। কোম্পানির উচ্চপদস্থদেরও নির্দেশ দেন কফিশপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে। খবর এপি।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে স্টারবাকসের নির্বাহী প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন লক্ষ্মণ নরসিংহ। লক্ষ্মণের বয়স ৫৫। পেপসিকোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। গত সেপ্টেম্বরে স্টারবাকস ঘোষণা দেয়, কোম্পানিটির পরবর্তী সিইও পদে যুক্ত হবেন লক্ষ্মণ নরসিংহ। তারপর থেকেই লক্ষ্মণ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত কোম্পানির বিভিন্ন দোকান, কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন। অর্জন করেছেন বারিস্তা সার্টিফিকেট।

কফিশপে নির্বাহী প্রধানের হাজির হওয়ার ঘটনা স্টারবাকসের জন্য প্রথম। তবে বড় কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন কোনো ঘটনা নয়। ডুরড্যাশের নির্বাহী প্রধান টনি শু মাসে একবার ডেলিভারি সেবায় কাজ করেন। তবে স্টারবাকস সিইওর প্রধান ও প্রথম উদ্দেশ্য হলো কোম্পানির সীমাবদ্ধতা শনাক্ত করা। এজন্য একটা পরিকল্পনাও ঘোষণাও করা হয়েছে। যেন দোকানগুলোকে আরো কর্মক্ষম করে তোলা যায়।

 স্টারবাক্সকে আরো বেশি করে বৈশ্বিক কোম্পানিতে পরিণত হতে দেখতে চান তিনি। যেন অপব্যয় আরো কম হয়। গতি বৃদ্ধি পায় কোম্পানির কর্মকাণ্ডে।

দীর্ঘদিন ধরে হাওয়ার্ড শুলজ স্টারবাক্সের নির্বাহী প্রধানের আসনে ছিলেন। সর্বশেষ পালন করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাহী প্রধানের দায়িত্ব। ততদিনে কোম্পানি নতুন নির্বাহী প্রধান খুঁজেছে। লক্ষ্মণ যুক্ত হওয়ার পর প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও হাওয়ার্ড কোম্পানিটির বোর্ডে থাকবেন।