দুবাইয়ের কফির বাজার ২০২৩ সালে ১ বিলিয়ন দিরহাম (২৭ কোটি ২০ লাখ ডলার) বিক্রয় অর্জনের পথে। শহরে আসন্ন বাণিজ্য প্রদর্শনীর আয়োজকদের মতে, দিন দিন শিল্পটি আকারে বড় হচ্ছে। দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ২০২৪ সালের ২১-২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ওয়ার্ল্ড অব কফি প্রদর্শনীর তৃতীয় সংস্করণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কফির বাজার ২০২৩-২৯ সালের মধ্যে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বার্ষিক হারে। পাশাপাশি ২০২২-২৭ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় বার্ষিক প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সম্প্রসারণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।
স্ট্যাটিস্টার এক প্রতিবেদন বলছে, দুবাইয়ের কফি বাজারে যথেষ্ট সম্প্রসারণ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৃথকভাবে কফির ব্যবহার ২০২৩ সালে ১ দশমিক ৩৬ কেজিতে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। কফি শিল্পে দুবাইয়ের বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে তৈরি হওয়ার কারণে গত দশকে রফতানি আয় ৯৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার অতিক্রম করেছে।
ওয়ার্ল্ড অব কফি দুবাই ২০২৪ ইভেন্টটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কফি সেক্টরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিএক্সবি লাইভের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট খালিদ আল হাম্মাদি দুবাইয়ের অর্থনৈতিক অবস্থা ও অবকাঠামোর কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি দুবাই শহরটি বিশ্বব্যাপী এ রকম গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট আয়োজনের প্রধান কেন্দ্র হওয়ার সব যোগ্যতা রাখে সেটা সবার সামনে তুলে ধরেন।
কফির প্রধান ব্র্যান্ড, কোম্পানি ও বিশেষজ্ঞরা প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন। তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কফি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে দুবাইয়ের ভূমিকার ওপর জোর দিচ্ছেন।
কিউ ট্রেডিং গ্রুপের সিইও ওমরান আল হাম্মাদি ইভেন্টটিতে অংশ নেয়ার বিষয়ে নিজেদের আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এমন ইভেন্ট কফি শিল্পের জন্য নতুন পথ অন্বেষণ ও শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে অবদান তৈরির সুযোগ করে দেয়।’
দুবাইতে অসংখ্য আন্তর্জাতিক কফি শপ ও কোম্পানি রয়েছে। স্ট্যাটিস্টা পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাপী কফি শিল্প থেকে ৮২ শতাংশ আয় ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ থেকে আর ১৮ শতাংশ আয় অভ্যন্তরীণ ব্যবহার থেকে আসে। কফি শিল্পের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাটি মধ্যপ্রাচ্যে মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন, খরচ বৃদ্ধি এবং কফিকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্থানের জন্য তৈরি হয়েছে।
এ সাফল্য আমিরাতের কফি ব্যবসাগুলোকে স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী প্রসারিত করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। এ ধরনের ইতিবাচক প্রবণতা আমিরাতকে বিশ্বব্যাপী কফি সংস্কৃতির কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।










