এ লক্ষ্যে গতকাল কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদকে চিঠি দিয়েছে দেশীয় বালাইনাশক উৎপাদকদের সংগঠনটি। এতে ৪ জুন অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় বামার সভাপতি কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এমএ মান্নানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে অনুরোধ জানানো হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বামা সভাপতি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বালাইনাশক আইন ২০১৮ ও বালাইনাশক বিধিমালা ১৯৮৫-এর (সংশোধিত ২০১০) আওতায় দেশের বালাইনাশক শিল্প ও বাজার পরিচালিত হয়ে আসছে। সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় আইন, বিধিমালা, নীতিমালার সংশোধন ও পরিমার্জন সাধিত হলেও বাস্তব ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনেক নীতি ও বিধান এখনো আমদানিনির্ভর কাঠামোর প্রতিফলন বহন করছে। ফলে স্থানীয় উৎপাদন, প্রযুক্তি উন্নয়ন, শিল্প সম্প্রসারণ ও রফতানি সক্ষমতা বাড়ার বিষয়গুলো পর্যাপ্ত গুরুত্ব পাচ্ছে না।
এতে আরো বলা হয়, বর্তমানে দেশের এগ্রোকেমিক্যাল শিল্পে স্থানীয় উৎপাদকরা উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, মানসম্পন্ন উৎপাদন ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। একই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদনভিত্তিক শিল্পকে রফতানিমুখী খাতে রূপান্তরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অর্জন ও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের জন্য কাজ করছে। এ বাস্তবতায় শিল্পসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী ও কারিগরি পরামর্শমূলক কমিটিগুলোয় উৎপাদক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী। এ প্রেক্ষাপটে পিটিএসির মতো কমিটিতে দেশীয় উৎপাদকদের প্রতিনিধিত্ব না থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চিঠিতে বলা হয়, মাঠপর্যায়ের উৎপাদন বাস্তবতা, কাঁচামাল সংগ্রহ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, শিল্পের প্রতিযোগিতা, রফতানি সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পর্কে স্থানীয় উৎপাদক প্রতিনিধিরা প্রত্যক্ষ ও বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম। এছাড়া বালাইনাশক বিধিমালা-২০২১ সংশোধনী কমিটিতে বামারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া পিটিএসিতে বামার দুজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং মতামত দিয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কৃষিমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।










