চলতি বছরের জানুয়ারিতে সৌদি আরবের জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতের পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) ছিল ৫৮ দশমিক ২ পয়েন্ট। এর মাধ্যমে জি-২০ভুক্ত দেশের মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে সৌদি আরব। বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের পর ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি সূচক। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস। 

রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সৌদি আরবের জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতের পিএমআই ৫৮ দশমিক ২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে যা ছিল ৫৬ দশমিক ৯ পয়েন্ট। পিএমআই ৫০ পয়েন্টের ওপর থাকা মানে প্রবৃদ্ধি নির্দেশক।

জ্বালানি তেলবহির্ভূত বেসরকারি খাতের মধ্যে রয়েছে উৎপাদন, নির্মাণ-স্থাপনা, আবাসন, পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় এবং বিভিন্ন পরিষেবা। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার পরও সৌদি আরবের পিএমআই বাড়ার ঘটনা প্রমাণ করে, দেশটিতে বিনিয়োগকারী ও মালিকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ছে। বাড়ছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতে গ্রাহকদের চাহিদা। বিপরীতে কমেছে আমদানি খরচের চাপ। সম্প্রতি অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় দেশটির সরকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণের নীতি গ্রহণ করে। নেয়া হয় ২০৩০ সালের মধ্যে বেসরকারি খাতের মান ও সক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্প। লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানোর পথে অনেকাংশেই সফলতা দেখিয়েছে দেশটি। 

সৌদি সরকারের গৃহীত শারিক পরিকল্পনার কারণে উপকৃত হয়েছে বেসরকারি খাতগুলো। ২৮টি কোম্পানি বিনিয়োগ পেয়েছে ১৯ হাজার ২০০ কোটি সৌদি রিয়াল। ২০২২ সালে বিদেশী লাইসেন্সধারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আনা হয়েছে নীতিগত পরিবর্তন। তার ফলাফলই সূচকে দৃশ্যমান।