তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে দেশটির সবচেয়ে বড় বাজার এশিয়া। কিন্তু সম্প্রতি এশিয়াসহ বিশ্ববাজারে এলএনজি রফতানি মার্কিন মুলুকের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে। রফতানি ব্যয় বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। তবে অতিরিক্ত ব্যয় সত্ত্বেও দেশটি রফতানি বাড়াচ্ছে। ঊর্ধ্বমুখী চাহিদার কারণে বছরান্তে যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি রফতানি সর্বকালের শীর্ষে পৌঁছবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিক ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ববাজারে ৬৫ লাখ টন এলএনজি রফতানি করে, যা মাসভিত্তিক রেকর্ড। আগামী মাসগুলোতেও এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। জ্বালানি পণ্যবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাইস্টাড এনার্জি জানায়, চলতি মাসে যুুক্তরাষ্ট্রে এলএনজির প্রতি ১০ লাখ ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের অতিরিক্ত রফতানি ব্যয় বেড়ে ৫ ডলার ৬০ সেন্টে উঠে আসে। এ ব্যয় গত বছরের মাঝামাঝি সময়ের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি।
প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, গত বছর করোনার ধাক্কায় এলএনজির বৈশ্বিক চাহিদা তলানিতে ঠেকেছিল। এতে মার্কিন রফতানিকারকরা জ্বালানি পণ্যটির রফতানি কমিয়ে আনেন। তবে এ বছর উচ্চব্যয় সত্ত্বেও রফতানি কমানোর কথা ভাবছেন না তারা। উল্টো যেকোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি এলএনজি রফতানি করবে দেশটি। উদ্দেশ্য বৈশ্বিক চাহিদার উল্লম্ফনে সাড়া দেয়া। তবে এশিয়ার সবচেয়ে ব্যয়বহুল এলএনজি রফতানিকারকের তালিকায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, রয়েছে মিসরও। দেশটির অতিরিক্ত রফতানি ব্যয় বেড়ে ১০ লাখ ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটপ্রতি ৬ ডলার ৩০ সেন্টে উঠে এসেছে।
সূত্র: বিক ম্যাগাজিন ও অয়েলপ্রাইসডটকম










