এনসিসি ব্যাংক পিএলসি তার সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পানিতে ডুবে প্রাণহানি মোকাবেলা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ‘সি-সেফ লাইফগার্ড’ কর্মসূচিতে সহায়তা দিয়েছে। ২০১২ সাল থেকে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) কর্তৃক পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে নিয়মিত টহল ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
সম্প্রতি কক্সবাজারের একটি রিসোর্টে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শামসুল আরেফিন। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম খোরশেদ আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির আনাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও মো. হাবিবুর রহমান, ইভিপি ও হেড অব সাসটেইনেবল অ্যান্ড উইমেনস ব্যাংকিং এবং স্ট্র্যাটেজিক ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্টের প্রধান নিঘাত মমতাজ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন সিআইপিআরবির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গবেষণা বিভাগ এবং আরটিআই প্রতিরোধ ও গবেষণা ইউনিটের পরিচালক ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, মানবসম্পদ ও প্রশাসনের পরিচালক কর্নেল (অব.) ইমরান উল্লাহ সরকার, সরকারি যোগাযোগ ও সিএসআরের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ড. সাইখুল ইসলাম হেলাল এবং সি-সেফ লাইফগার্ড প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. ইয়াসির ইফতেখারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের এমডি এম শামসুল আরেফিন বলেন, ‘বাংলাদেশে পানিতে ডুবে মৃত্যু একটি নীরব ও ভয়াবহ সংকট; প্রতিটি মৃত্যু সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এনসিসি ব্যাংক মনে করে, প্রকৃত টেকসই উন্নয়ন কেবল আর্থিক সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমাজ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই এর সার্থকতা। সি-সেফ লাইফগার্ডের উদ্যোগে আমাদের সহায়তা জননিরাপত্তা ও সামাজিক কল্যাণে ব্যাংকের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’
সিআইপিআরবির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গবেষণা বিভাগ এবং আরটিআই প্রতিরোধ ও গবেষণা ইউনিটের পরিচালক ড. সেলিম মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সি-সেফ লাইফগার্ড প্রকল্প কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে জীবন রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রম টেকসই করতে করপোরেট খাতের অংশীদারত্ব অত্যন্ত জরুরি। এনসিসি ব্যাংকের অগ্রণী ভূমিকা এবং সহায়তা আমাদের সক্ষমতা আরো বাড়াবে এবং পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’










