সিটি ব্যাংক পুনর্গঠনে ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি ডলার। এমনটা জানিয়েছেন সিটি গ্রুপের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মার্ক ম্যাসন। মূলত পুনর্গঠন ও পৃথকীকরণের অর্থ বেতনের মতো ক্ষেত্রেও ব্যয় করা হয়। মার্ক ম্যাসন জানান, সিটি গ্রুপ ২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে পুনর্গঠনের কাজ শেষ করবে। খবর রয়টার্স।

সিটি ব্যাংক পুনর্গঠন করার প্রয়োজনে ম্যানেজমেন্টকে ছোট করার পাশাপাশি হাজারো কর্মী ছাঁটাই হতে পারে। এর মাধ্যমে সিটি গ্রুপ তাদের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৫ হাজার ১০০ কোটি থেকে ৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলারে নেমে আসবে। এটি সিটি গ্রুপকে তার মুনাফার লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে।

মার্ক ম্যাসনের বক্তব্যের পরে গতকাল সিটি গ্রুপের শেয়ারগুলো প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি দেখেছে, যা অন্যান্য বড় ব্যাংককে ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংকটি এখনো ২০২৩ সালে ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার ব্যয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। তবে এ হিসাবের মধ্যে সরকারকে প্রায় ১৬৫ কোটি ডলারের বীমা প্রদান অন্তর্ভুক্ত নয়।

মার্ক ম্যাসনের ভাষ্যমতে, চতুর্থ প্রান্তিকে সিটি গ্রুপ প্রায় ২০ কোটি ডলার পুনর্গঠন ব্যয় প্রদর্শন করবে। পুনর্গঠনের পরে সিটি গ্রুপ আগামী বছর মধ্যমেয়াদে গড় শেয়ারের মান ১১-১২ শতাংশ বাড়াবে। সিটি গ্রুপের ২০২৩ সালের আয় সম্ভবত প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হবে। তবে এটি তাদের পূর্ববর্তী পূর্বাভাসের চেয়ে কম।

মার্ক ম্যাসন আয় কমার কারণ হিসেবে আর্জেন্টিনার নির্বাচনকে দায়ী করেছেন। নির্বাচনের ফলে সিটি গ্রুপের আয় কয়েক কোটি ডলার কমে যাবে। মুদ্রাবাজার ব্যবসার ব্যয়ের অংশ হিসেবে আয়কেও প্রভাবিত করবে।

সিটি গ্রুপের পুনর্গঠনের সর্বশেষ পর্যায়টি গত মাসে ঘোষণা করা হয়েছিল। এটি ম্যানেজমেন্ট স্তরগুলোকে ১৩ থেকে ৮-এ নামিয়ে এনেছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন ছিল।

সিটি গ্রুপের সিইও জেন ফ্রেজার কম আমলাতন্ত্র এবং বেশি মুনাফা চান। তিনি সিটি গ্রুপের পিছিয়ে থাকা শেয়ারের দামও বাড়াতে চান।

জেন ফ্রেজার সম্প্রতি জানান, এ পরিবর্তনের লক্ষ্য সিটি গ্রুপকে সত্যিকার অর্থে রূপান্তর করা।