চীনের খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে। কভিড-১৯ মহামারীর সময় গ্রাহকরা অনলাইন শপিংকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছিলেন। মহামারী শেষ হলেও অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটা থেকে গ্রাহকদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। খবর নিক্কেই এশিয়া।
সাংহাইতে গোম রিটেইল হোল্ডিংসের একটি ইলেকট্রনিকস আউটলেট আগস্টের মাঝামাঝি সময় বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার কথা জানানো হয়। ভবনের দায়িত্বে থাকা রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজের প্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা এখনো পরবর্তী গ্রাহক বাছাই করিনি।’
দেশটির স্থানীয় মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, গোম সাংহাই তাদের একাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। তারা ২০২২ ও ২০২৩ সালের মধ্যে নানজিং, জিয়ান ও অন্যান্য অঞ্চরের দোকানগুলোও বন্ধ করে দিয়েছে ।
বেইজিং-সদর দফতরে ২০২২ সালের জুনের শেষে ৩ হাজার ৮২৫টি স্টোর ছিল, কিন্তু সে বছরের শেষ নাগাদ তা ২ হাজার ৮৪৩-এ নেমে এসেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে, গ্রুপ এক্সিকিউটিভ লি জুনতাও জানান, গোম প্রায় ৩০০টি সরাসরি মূল স্টোর রাখার পরিকল্পনা করেছে। গোম তাদের স্টোরগুলোর সুনির্দিষ্ট বর্তমান পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।
আরেকটি বড় খুচরা ব্যবসায়ী সানিংডটকম গ্রুপও কঠিন সময়ের মধ্যে রয়েছে। তারা ২০২২ সালের শেষের দিকে সরাসরি ১ হাজার ৪৩৫টি অ্যাপ্লায়েন্স স্টোর চালায়, যা ২০১৯ সালের শেষের তুলনায় ৩৮ শতাংশ কম।










