২০২৩ সালে কাতারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার সামান্য কমে ৪ শতাংশে থাকবে। গত বছর দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। সামান্য এ পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা পালন করেছে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা ও বাজারের অস্থিতিশীলতা। যদিও গত বছর ফিফা বিশ্বকাপের কারণে প্রবৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে বেশি ছিল। ফলে এ মন্থরতাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখার উপায় নেই। এমনটাই দাবি করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের এক প্রতিবেদনে। খবর আরব নিউজ।

ব্রিটিশ বহুজাতিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে শূন্য দশমিক ৭৫ শতংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। তবে এ মন্থরতাকে সাময়িক হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে ব্যাংকের পক্ষ থেকে। আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঘুরে দাঁড়ানোর। কাতার বিশ্বের অন্যতম গ্যাসসমৃদ্ধ দেশ। সেই সঙ্গে রয়েছে ক্রমবর্ধমান পর্যটন খাত। বিশেষ করে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের পর দেশটির পর্যটন খাতেরও বিস্তার ঘটেছে। ফলে উপসাগরীয় দেশটি শিগগিরই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারবে। 

দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদানকে ২০৩০ সাল নাগাদ ১২ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে কাতার কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এর পরিমাণ ৭ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৬০ লাখ পর্যটক আকৃষ্ট করতে চায় কাতার। আন্তর্জাতিক আসরগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। শুধু এ বছরই দেশটিতে অন্তত ১৪টি ক্রীড়া আসরের আয়োজন হতে চলছে।