২০২২ সালের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে জাপানে মূল বেতন ২ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। এতে প্রায় ১২ মাস ধরে এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে দেশটির অধিবাসীদের মধ্যে ব্যয়ের হার অনেকাংশে কমে গেছে। সম্প্রতি সরকারি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর দ্য মাইনচি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের মূল্য অনেকাংশেই বেড়েছে। ফলে বেতন বাড়ানো হলেও তা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে খাপ খাচ্ছে না। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এজন্য দেশটির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন। মূলত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি মোকাবেলা করতে এ আহ্বান জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি জাপানের ৬২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান কর্মীদের মূল বেতন বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, টানা ১৫ মাসের মতো জাপানে ন্যূনতম বেতন, বেস ও ওভারটাইমসহ মজুরির পরিমাণ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ৯১ হাজার ৮১ ইয়েন বা ২ হাজার ১০০ ডলার হয়েছে।
অন্য এক প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, দেশটিতে চলতি মার্চে আগের বছরের তুলনায় গৃহস্থালি ব্যয় ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছিল। মিনিস্ট্রি অব ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনসের তথ্যানুযায়ী, দুই বা তার বেশি সদস্যবিশিষ্ট পরিবারগুলো গড়ে ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৫৮ ইয়েন ব্যয় করেছে। মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর নেতিবাচক প্রভাব কমতে থাকলেও সাধারণ পর্যায়ে ব্যয় এখনো স্বাভাবিক হয়ে ওঠেনি।’
হোটেলে অবস্থান করা ও বিভিন্ন স্থান ভ্রমণসহ বিনোদনমূলক কার্যক্রমে নাগরিক ব্যয় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে খাদ্যদ্রব্যে ব্যয় ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। ২০২২ অর্থবছরে গৃহস্থালিতে ব্যয় দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৬৭১ ইয়েনে উন্নীত হয়েছে।










