চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য ভ্রমণ চাহিদায় নেতিবাচক পূর্বাভাস দিয়েছে রায়ানএয়ার। পাশাপাশি যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধির পূর্বাভাসও বাতিল করেছে। মূলত বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ সরবরাহ দেরি হওয়ায় এয়ারলাইনসটি এ কথা জানিয়েছে। এর আগেই কোম্পানিটির ত্রৈমাসিক আয় কভিড-১৯ মহামারী-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে আসে। রায়ানএয়ার মে ও জুনে রেকর্ডসংখ্যক যাত্রী বহন করেছে। পুরো গ্রীষ্মেই ভ্রমণের চাহিদা ও যাত্রীসংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। সেই সঙ্গে ভাড়াও বাড়বে, তবে জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা ১০-১৫ শতাংশ কম থাকবে। রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও লিয়ারি জানান, সাশ্রয়ী মূল্যে যেসব এয়ারলাইনস পরিষেবা দিয়ে থাকে, এ বছরের শীতে হয়তো এভাবেই যাত্রীদের আকৃষ্ট করতে হবে। কেননা ২০১৯ সালের তুলনায় এবার ২৫ শতাংশ সিট বেশি থাকবে। তার মতে, সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি রায়ানএয়ারের অনুকূলেই থাকবে। কেননা যাত্রীরা উড্ডয়ন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দামের বিষয়েও সতর্ক থাকবে। রয়টার্স
মুনাফা বাড়লেও শীতকালীন ভ্রমণ নিয়ে শঙ্কায় রায়ানএয়ার
চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য ভ্রমণ চাহিদায় নেতিবাচক পূর্বাভাস দিয়েছে রায়ানএয়ার। পাশাপাশি যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধির পূর্বাভাসও বাতিল করেছে।










