চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের আয় কমেছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ শতাংশেরও বেশি। তবে এ সময় কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে। কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ১ হাজার ২১৯ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ২৩৪ কোটি ৪৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৪৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় হয়েছে ৫২৭ কোটি ৩৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৫৪৮ কোটি ৮১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪৬ কোটি ৯৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৪৪ কোটি ৩৪ লাখ ২৪ হাজার টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ টাকা ৮ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ২৯ টাকা ৪৩ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭১ টাকা ৪০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের দিয়েছে বার্জার পেইন্টসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩০১ কোটি ৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বা ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৪ টাকা ৯১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭৯ টাকা ৭৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২২৭ টাকা ৩৯ পয়সা।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বার্জার পেইন্টসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২৬২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮০। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩ দশমিক ৭০, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে দশমিক ২০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১ দশমিক ১০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










