খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জেমিনি সি ফুড পিএলসির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর পরিবর্তে ২১ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ৪৭ পয়সা।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৪ টাকা ৯ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ১২ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৬১ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটি উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ১০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল জেমিনি সি ফুড। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ (উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে) ও ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৪৯ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৭২ পয়সা। ওই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩ টাকা ১০ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় জেমিনি সি ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লেকাসান ছিল ৯ টাকা ৮৩ পয়সা।
২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জন্য ১২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুডের অনুমোদিত মূলধন ৪০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬১ লাখ ৫ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৩০ দশমিক শূন্য শূন্য ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৩৭ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫৮ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৩৩০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৯৬১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।










