৩০ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার কিনবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৭০ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ টাকা ২৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ৬৪ পয়সায়।

এসিআইয়ের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।

১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআইয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৯১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৭৮ লাখ ৩১ হাজার ৮৪৩। এর ৪৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৩ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।