বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক পিএলসি থেকে এ পর্যন্ত ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি জামানতবিহীন ডিজিটাল ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এ সুবিধা চালু হওয়ার মাত্র তিন বছরের মধ্যেই এমন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ১ কোটি ২৭ লাখ বারেরও বেশি ছোট অংকের ঋণ গ্রহণ করেছেন ১৯ লাখের বেশি গ্রাহক।
বিকাশ ও সিটি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে চালু হওয়া এ ডিজিটাল ঋণসুবিধা গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ নারী। বেশির ভাগ গ্রাহকই একাধিকবার এ ঋণসেবা ব্যবহার করেছেন। প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা কিংবা সীমিত ব্যাংকিং সুবিধাপ্রাপ্ত সাধারণ মানুষের জন্য এ ডিজিটাল ঋণসেবা দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরো শক্তিশালী করছে। কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো সময় মাত্র কয়েকটি ধাপে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারছেন।
গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্টে লেনদেনের ইতিহাস ও তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়, যা গ্রাহকরা চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়, ব্যবসার মূলধন বৃদ্ধি, নতুন উদ্যোগ এবং ভ্রমণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করছেন।
নির্ধারিত সময়ে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালান্স থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ হয়ে যায়। ঋণ গ্রহণের সময়ই অ্যাপ থেকে সুদের হার, প্রসেসিং ফিসহ সব শর্ত ও খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারেন গ্রাহকরা। নির্ধারিত সময়ের আগে ঋণ পরিশোধ করলে শুধু ব্যবহৃত সময়ের জন্য সুদ দিতে হয়। কিস্তি পরিশোধের তারিখ অ্যাপ নোটিফিকেশন ও এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহকদের জানিয়ে দেয়া হয়।
এছাড়া জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা সহজ করতে বিকাশ ও সিটি ব্যাংক চালু করেছে ‘পে-লেটার’ সেবা। পর্যাপ্ত ব্যালান্স না থাকলেও গ্রাহকরা এর মাধ্যমে বিকাশ অ্যাপে থাকা ডিজিটাল ঋণ লিমিট ব্যবহার করে সরাসরি মূল্য পরিশোধ করতে পারছেন। এ ঋণ সাতদিনের মধ্যে পরিশোধ করলে কোনো সুদ দিতে হয় না। চাইলে মাসিক কিস্তিতেও পরিশোধের সুবিধা রয়েছে।—বিজ্ঞপ্তি










