এশিয়ার দেশগুলোয় এখনো নিম্নমুখী দামে চাল বেচাকেনা হচ্ছে। কম চাহিদা ও বাড়তি সরবরাহের কারণে ভারতে খাদ্যশস্যটির দাম ২০২৩ সালের জুনের পর সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। অন্যদিকে থাইল্যান্ডে চালের রফতানি মূল্য দুই বছরেরও বেশি সময়ের সর্বনিম্নের কাছাকাছি স্থিতিশীল আছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ভারতে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের চলতি সপ্তাহে টনপ্রতি ৩৯৫-৪০১ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে, গত সপ্তাহে যা ছিল ৪০৩-৪১০ ডলার। একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নয়াদিল্লিভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘ক্রেতা দেশগুলোর কাছে চাহিদা এখনো কম। তারা অনেকেই দাম আরো নিম্নমুখী হওয়ার অপেক্ষা করছেন।’
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে ভারত শতভাগ খুদযুক্ত চাল রফতানির অনুমতি দিয়েছে। এ মানের চাল রফতানি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নিষিদ্ধ ছিল।
থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল বৃহস্পতিবার টনপ্রতি ৪০৫ ডলারে স্থিতিশীল ছিল। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে চালের দামে স্থিতিশীলতার প্রধান কারণ দুর্বল চাহিদা ও বিনিময় হার। বাজারে বাড়তি সরবরাহ থাকলেও চালের মজুদ পরিস্থিতির কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
ব্যাংককভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে। ভারত ও ভিয়েতনামের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে চলতি বছর থাই রফতানিকারকদের জন্য কঠিন হতে পারে।’
ভিয়েতনাম ফুড অ্যাসোসিয়েশন ও ব্যবসায়ীরা জানান, দেশটিতে চলতি সপ্তাহে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল টনপ্রতি ৪০০ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে। আগের সপ্তাহে এটি ছিল টনে ৩৯৪ ডলার।
মেকং ডেল্টার এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে কয়েক দিনের বেচাকেনায় দাম একই থাকতে পারে।’
চালের রফতানি মূল্য কম থাকায় ভিয়েতনাম সরকার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা দিতে বিশেষ আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় মজুদে চাল কেনার মতো একাধিক পদক্ষেপও নিয়েছে দেশটি।
এদিকে বাংলাদেশে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে সুগন্ধি চালের রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।










