চলতি বছর আর্জেন্টিনায় গম রোপণ কিছুটা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চীনে যবের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে কিছু কৃষক ফসল পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি বাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের আশঙ্কাও করছেন অধিকাংশ কৃষক। খবর রয়টার্স।

গম ও যব দুটিই বছরের মাঝামাঝি সময়ে রোপণ করতে হয় বলে কৃষকরা এটি নিয়ে দ্বিধায় ভুগছেন। আর্জেন্টাইন রুরাল সোসাইটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ইজাকুয়েল দে ফ্রেইজো জানান, চলতি মৌসুমের শুরুতে যারা নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকি এড়াতে চান তাদের জন্য যব একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে তা কয়েকটি এলাকার জন্যই প্রযোজ্য।

চলতি বছরের শুরুতে মূল্যস্ফীতি রোধে সরকার ভুট্টা রফতানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিলে কৃষকরা ক্ষেপে ওঠেন। এর প্রতিক্রিয়ায় গমের রফতানি শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনাও বাতিল করে সরকার।

গত মৌসুমে আর্জেন্টিনা গম রফতানিতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল। সে সময় গম উৎপাদন কমে সাড়ে পাঁচ মিলিয়ন থেকে তিন-চার মিলিয়ন হেক্টরে পৌঁছেছিল। তবে চলতি মৌসুমে যব রফতানির জন্য চীন একটি উপযুক্ত গন্তব্য।

গত মৌসুমে আর্জেন্টাইন কৃষকরা সাড়ে ছয় মিলিয়ন হেক্টরে ১৭ মিলিয়ন টন গম উৎপাদন করেছিলেন। পাশাপাশি ২ দশমিক ২ মিলিয়ন হেক্টর থেকে ৪ দশমিক ১ মিলিয়ন টন যব উৎপাদন হয়েছিল। তবে চীনে প্রচুর পরিমাণে যব রফতানি কৃষকদের সেদিকে ঠেলে দিচ্ছে।