সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা মরিচ আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছর অন্তত ৪০ শতাংশ বেশি আমদানি হয়েছে। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যটির আমদানি বেড়েছে।

অন্যদিকে আমদানি বাড়লেও বাজারে পণ্যটির দাম কমেনি বরং বেড়েছে বলে জানান খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এক-দেড় মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ৫০-৬০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ভোমরা শুল্কস্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-মে পর্যন্ত ১১ মাসে ভোমরা বন্দর দিয়ে শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছে ৫০ হাজার ৫৪১ টন। যার মূল্য ১ হাজার ২৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-মে পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছিল ২৯ হাজার ৩৬৪ টন। যার আমদানি মূল্য ছিল ৪৬১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সে হিসাবে আমদানি কমেছে ২১ হাজার ১২৭ টন।

ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও মসলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, সম্প্রতি তার প্রতিষ্ঠানে শুকনা মরিচ আমদানি বেড়েছে। গত বছরের ১১ মাসের তুলনায় অন্তত ৩০ শতাংশ আমদানি বেড়েছে। বাজারে চাহিদা বাড়ায় মূলত আমদানিতে উল্লম্ফন দেখা গেছে। তাছাড়া আসন্ন কোরবানির ঈদের কারণেও সব ধরনের মসলার চাহিদা বাড়ছে। ফলে শুকনা মরিচসহ অন্যান্য মসলা পণ্যের আমদানিও বাড়ছে।

সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিপণন আড়ত আবির ভাণ্ডারের পরিচালক আব্দুল আজিজ বলেন, ‘‌সম্প্রতি শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে। এক মাস আগেও যে শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৪৩০-৪৪০ টাকা দরে, তা বর্তমান বিক্রি হচ্ছে ৪৮০-৪৯০ টাকায়। এক-দেড় মাসের ব্যবধানে শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে ৫০-৬০ টাকা পর্যন্ত।

ভোমরা শুল্কস্টেশনরে দায়িত্ব থাকা কাস্টমসের ডেপুটি সহকারী কমিশনার নেয়ামুল হাসান বণিক বার্তাকে জানান, শুকনা মরিচ আমদানি বাড়ায় সরকারের রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।