এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দৈনিক লেনদেনের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, এদিন ওরিয়ন ইনফিউশনের ৪ লাখ ১০ হাজার ৯৩৭টি শেয়ার ২ হজার ৬৫৯ বার হাতবদল হয়েছে। দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ৩৫৯ টাকা ৮০ পয়সা, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৩৫৭ টাকা ৭০ পয়সা।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৯০ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওরিয়ন ইনফিউশনের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে ওরিয়ন ইনফিউশনের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৪৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওরিয়ন ইনফিউশনের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৩২ পয়সায়।
ওরিয়ন ইনফিউশনের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ৩’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থান এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসিঙ্গক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওরিয়ন ইনফিউশনের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১ কোটি ৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০। এর ৪০ দশমিক ৬১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১ দশমিক ১১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৮ দশমিক ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










