২০৬০ সাল নাগাদ কার্বন নিরপেক্ষ অবস্থানে পৌঁছার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চীন। এ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে হলে দেশটিকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর মতো কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। আর এ কাজে চীনকে মোটা অংকের বিনিয়োগ করতে হবে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি জানিয়েছে, কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনে ৫ লাখ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে বেইজিংকে। খবর রয়টার্স।
বিশ্বের শীর্ষ কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ চীন। গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ২০৬০ সালের আগেই কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জন করবে তার দেশ। বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর মধ্যে চীনই প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনে তাদের নেতিবাচক ভূমিকা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিল।
রিসার্স কনসোর্টিয়াম ক্লাইমেট অ্যাকশন ট্র্যাকার বলছে, চীন তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে তা হবে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কমানোর ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত প্রতিশ্রুত সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।
উড ম্যাকেঞ্জি জানিয়েছে, লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে চীনকে ২০৫০ নাগাদ সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বর্তমানের চেয়ে ১১ গুণ বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪০ গিগাওয়াটে উন্নীত করতে হবে।










