হংকংয়ে বেড়েছে ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার, যার প্রভাব পড়েছে সম্পদের বাজারে। গত ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে সেকেন্ডারি পর্যায়ের বাড়ির দাম আগের সপ্তাহের চেয়ে ২ শতাংশ কমেছে। আগের বছরের তুলনায় কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ। ২০১৬ সালের পর এবারই বাড়ির দামে এমন তীব্র পতন দেখল হংকংয়ের বাজার।
বৈশ্বিক নিম্ন সুদহারের সবচেয়ে বড় উপকারভোগী ছিল হংকংয়ের সম্পত্তির বাজার। কিন্তু সে বাজারের পরিস্থিতিই এখন উল্টো পথে হাঁটছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ঋণের সুদের হার বেড়ে যাওয়াকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনীতির সংকোচন। ফলে সেকেন্ডারি পর্যায়ের বাড়ির দাম ২০২১ সালের তুলনায় ১৪ শতাংশ কমেছে। সে সময় বাড়ির দাম রীতিমতো চূড়ায় অবস্থান করছিল।
গত সেপ্টেম্বরে দেশটির মুদ্রানীতি কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শহরটির এক মাসের ঋণের সুদের হার বা হিবর (হংকং ইন্টার ব্যাংক অফারড রেট) ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চে রয়েছে। হংকংয়ের ৯৬ শতাংশ বন্ধকই হিবর ব্যবহার করে নেয়া।
বর্তমান পরিস্থিতিতে চলতি বছর যে পরিমাণ বাড়ি বিক্রি হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল তার ৫০ শতাংশই কেবল পূরণ হতে পারে। গত দুই দশকের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। এ মুহূর্তে শহরটিতে প্রচুর পরিমাণ বাড়ি, ফ্ল্যাট ও স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্ট খালি পড়ে আছে। যা বিক্রি করতে ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকে হয়তো বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিতে হবে। কারণ স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টের মতো স্থাপনার ভোক্তা চাহিদা এখন একেবারেই কম।
গোল্ডম্যান স্যাকস গ্রুপ ইনকরপোরেশনের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হংকংয়ের আবাসিক সম্পত্তির দামে এ পতন ২০২৩ সালজুড়েই দেখা যাবে। ফলে আপাতত বাড়ির দামের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভালো হওয়ার কোনো সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।










