মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি কমেছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এদিকে নিম্নমুখী রফতানির কারণে দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ ফুলেফেঁপে উঠেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে আসে।

অক্টোবরে দেশটির বন্দর ছেড়ে যাওয়া কার্গোর তথ্য বলছে, ওই মাসে পাম অয়েল রফতানি কমেছে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে রফতানি করা হয়েছে ১৪ লাখ ১০ হাজার টন। শীর্ষ ক্রেতা ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় রফতানি সবচেয়ে বেশি হ্রাস পায়।

পাম অয়েল উৎপাদনে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ মালয়েশিয়া। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, অক্টোবরে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদন দশমিক ৯৮ শতাংশ কমেছে। এ সময় উৎপাদন হয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার টন। এ নিয়ে টানা দুই মাসের মতো উৎপাদন কমে তিন মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ইতিহাসের সর্বনিম্ন পাম অয়েল উৎপাদন পরিস্থিতি দেখতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া। বিদেশী শ্রমিক সংকটের তীব্রতা উৎপাদন নিম্নমুখী করে তুলছে।

রয়টার্সের সমীক্ষার তথ্যমতে, রফতানি কমে যাওয়ায় গত মাসে দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ বেড়ে যায়। মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ১০ হাজার টনে, যা আগের মাসের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।