এ বছর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ খরার সম্মুখীন হয়েছে ব্রাজিল। বিপর্যস্ত হয়েছে দেশটির কৃষি উৎপাদন খাত। তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত নতুন করে সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে। পরিস্থিতি ইতিবাচকতায় মোড় নেয়ায় খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। ২০২১-২২ মৌসুমে ব্রাজিলে খাদ্যশস্য উৎপাদন ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির জাতীয় সরবরাহ কোম্পানি (কোনাব)।
কোনাবের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ব্রাজিলে ২৮ কোটি ৯৮ লাখ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হতে পারে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। প্রাক্কলিত ৭ কোটি ১৮ লাখ হেক্টর জমিতে এরই মধ্যে বীজ বপন করা হয়েছে। আগের মৌসুমের তুলনায় আবাদ বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ।
সয়াবিন উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশ ব্রাজিল। কোনাব বলছে, ২০২১-২২ মৌসুমে দেশটিতে সয়াবিন উৎপাদন বাড়বে। আবাদি অঞ্চল বেড়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ২০ লাখ টন। এছাড়া ভুট্টা আবাদি জমি বেড়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৬৭ লাখ টন। এদিকে গম উৎপাদন ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টনে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছে কোনাব।
প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, সয়াবিন রফতানি গত বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়ে ৮ কোটি ৪৪ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছতে পারে। ভুট্টা রফতানি ২ কোটি এবং গম রফতানি ৭ লাখ ৯০ হাজার টনে পৌঁছতে পারে।










