৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ১৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৭৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ১৬ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৮৫ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৩ পয়সায়।
১৯৯৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৫১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৪১৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১৫ কোটি ১৬ লাখ ৯১ হাজার ৭১৩। এর ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৭ দশমিক ৮৮, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










