মালয়েশিয়ান পাম অয়েল আমদানি বাড়াবে চীন। বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টন পাম অয়েল কিনবে দেশটি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বার্নামা।
বার্নামা জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার পাম অয়েল ফার্ম সিমে ডার্বি অয়েল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং চীনের গুয়াংসি বেইবু গাল্ফ ইন্টারন্যাশনাল পোর্ট গ্রুপের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ চুক্তির আওতায় দুই কোম্পানি মিলে চীনের কিনঝোতে একটি পাম অয়েল পরিশোধনাগার এবং বিতরণ ও বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তুলবে।
চীনের কোয়াংশি প্রদেশের রাজধানী নানিংয়ে আয়োজিত এক আঞ্চলিক বাণিজ্য ইভেন্টে তার উপস্থিতিতে এ চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘এটি চীনের সঙ্গে আমাদের স্থায়ী চুক্তি। উভয় পক্ষের জন্যেই এটি বড় ধরনের অর্জন।’
ভোজ্যতেল হিসেবে বিশ্বে পাম অয়েলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের তথ্য বলছে, আগস্টে দেশটিতে সাড়ে ১৭ লাখ টন পাম অয়েল উৎপাদন হয়। জুলাইয়ের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ। বাজারসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল ১৭ লাখ ২০ হাজার টন উৎপাদনের। অর্থাৎ উৎপাদন প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেড়েছে।
অন্যদিকে, এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে মালয়েশিয়ায় আবহাওয়া শুষ্ক ও উষ্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে আগামী মাসগুলোয় দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিন্দ্বন্দ্বী ডালিয়ান উদ্ভিজ্জ ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার পুনরুদ্ধার হওয়ায় পাম অয়েলের বাজারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের বাজার আদর্শ দাম ৩৩ রিঙ্গিত বা দশমিক ৮৯ শতাংশ বেড়েছে। এতে প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৮০৩ ডলার ৩৮ সেন্টে।










