চলতি বছরের নভেম্বরে জ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর উত্তোলন বেড়েছে। তবে এ মাসেও মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে করা চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে জোটটি। অক্টোবরেও চুক্তিমাফিক উত্তোলন বাড়াতে পারেনি ওপেক। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
নভেম্বরে ওপেকভুক্ত দেশগুলো দৈনিক ২ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করে। সমীক্ষায় বলা হয়, আগের মাসের তুলনায় উত্তোলন দৈনিক ২ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল করে বেড়েছে। যদিও চুক্তি অনুযায়ী দৈনিক ২ লাখ ৫৪ হাজার ব্যারেল করে উত্তোলন বাড়ানোর কথা ছিল।
ওপেক ও এর মিত্র দেশগুলো ওপেক প্লাস নামে পরিচিত। মহামারীর প্রভাব কমতে থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়ছে। এ কারণে ওপেক প্লাস গত বছরের উত্তোলন হ্রাসের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। প্রতি মাসেই নির্দিষ্ট হারে উত্তোলন বাড়াতে একমত হয়েছে জোটের সদস্যরা। কিন্তু জোটভুক্ত অনেক স্বল্প উত্তোলন সক্ষমতার দেশ চুক্তি মোতাবেক সরবরাহ বাড়াতে পারেনি। আবার কিছু দেশ নতুন করে করোনার সংক্রমণ প্রবাহ বৃদ্ধির আশঙ্কায় উত্তোলন সীমিত রেখেছে।
রয়টার্সের সমীক্ষায় বলা হয়, নভেম্বরে অ্যাঙ্গোলা, বিষুবীয় গিনি ও গ্যাবনের উত্তোলন কমেছে অথবা বাড়েনি। এর মধ্যে অ্যাঙ্গোলার উত্তোলন সর্বোচ্চ দৈনিক ৫০ হাজার ব্যারেল কমে যায়। এ বিষয়কেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে সৌদি আরব ও ইরাকের উত্তোলন সর্বাধিক বেড়েছে।










