২০১৯-২০ মৌসুমে রাশিয়ার তেলবীজের উৎপাদন পূর্বাভাস বাড়িয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। আবাদি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি ও অনুকূল আবহাওয়া চলতি মৌসুমে দেশটিতে তেলবীজের উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসেস। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।

চলতি মাসের প্রথমদিকে প্রকাশিত হয়েছে ইউএসডিএর গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিএআইএন) প্রতিবেদন। এতে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ মৌসুমে রাশিয়ায় সব মিলিয়ে ২ কোটি ১৮ লাখ টন তেলবীজ উৎপাদন হতে পারে, আগের মৌসুমের তুলনায় যা ১৪ শতাংশ বেশি।

উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চলতি মৌসুমে দেশটি থেকে তেলবীজের রফতানিতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে দেশটি থেকে সব মিলিয়ে ২২ লাখ ৩০ হাজার টন তেলবীজ রফতানি হতে পারে, আগের মৌসুমের তুলনায় যা ৯ শতাংশ বেশি।

শুধু চলতি মৌসুমেই নয়, রাশিয়ায় তেলবীজের উৎপাদনে চাঙ্গা ভাব বজায় থাকতে পারে আগামী ২০২০-২১ মৌসুমেও। তবে প্রতিষ্ঠানটি এ কথাও জানিয়েছে, নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের জেরে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন ও রফতানি উভয়ই প্রভাবিত হতে পারে। বিশেষ করে মহামারীর ফলে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি ব্যাহত হতে পারে।

এর আগে তেলবীজের উৎপাদন ও রফতানি বাড়াতে রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয় ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। সে অনুযায়ী পণ্যটির আবাদ বাড়িয়েছিল দেশটি। তবে নভেল করোনাভাইরাস প্রকোপের পর অভ্যন্তরীণ বাজার শৃঙ্খলা রক্ষায় সম্প্রতি অন্যান্য শস্যের সঙ্গে সয়াবিন ও সূর্যমুখী বীজ রফতানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটি। এতে চলতি মৌসুমে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে এবার রাশিয়া থেকে সয়াবিন রফতানি উল্লেখযোগ্যহারে কমে যেতে পারে।

ইউএসডিএ জানিয়েছে, ২০১৯-২০ মৌসুমে রাশিয়ার তেলবীজ শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মূলত পণ্যটির উৎপাদন বৃদ্ধি এক্ষেত্রে মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।