সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল (ক্লিংকার, স্লাগ, লাইমস্টোন, ফ্লাই অ্যাশ, জিপসাম) আমদানিকারকদের পণ্যভেদে ২-৫ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া পণ্যটি বিক্রির ক্ষেত্রেও ২ শতাংশ এআইটি পরিশোধ করতে হয়। উভয়ক্ষেত্রেই এআইটি পরিশোধের হার কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে গতকাল সিমেন্টসহ বিভিন্ন খাতের মোট ১২টি সংগঠনকে নিয়ে এক প্রাক-বাজেট আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
আলোচনায় বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমএ) পক্ষ থেকে দেয়া প্রস্তাবে বলা হয়, কিছুদিন আগেও এআইটিকে নূন্যতম কর হিসেবে গণ্য করায় লোকসান করার পরেও অনেক সিমেন্ট উৎপাদনকারীকে আয়কর দিতে হয়েছে। আইনে অতিরিক্ত অগ্রিম আয়করকে পরবর্তী বছরের জন্য জের টানা বা ক্যারি ফরোয়ার্ডের সুযোগ দেয়া হয়। যদিও এতে সিমেন্ট শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য মালিকদের তেমন কোনো উপকার হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্রিম আয়করের হার এতই বেশি যে প্রতি বছরই তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে মুনাফার পরিমাণ অনেত কম হওয়ায় প্রকৃত আয়করও কম হয়। এজন্য আমদানি ও বিক্রয় পর্যায়ে অগ্রিম আয়কর সর্বোচ্চ দশমিক ৫ শতাংশ করা হোক।
এর পরেও যদি অগ্রিম আয়করের পরিমাণ প্রকৃত আয়করের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তা প্রতি বছর ফেরত দেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বিসিএমএ।
সভায় বিসিএমএর পক্ষ থেকে বলা হয়, সিমেন্টের পাঁচটি কাঁচামালেই আমদানি মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি অ্যাসেসেবল ভ্যালু ধরে শুল্কায়ন করা হচ্ছে। পাঁচটি কাঁচামালের ওপর ইনভয়েস মূল্য ধরে শুল্কায়নের দাবি তুলেছে বিসিএমএ।
এছাড়া লাইমস্টোনের ওপর সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার ও ভ্যাট নির্ধারণে ট্যারিফ পদ্ধতি প্রবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে।










