স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট ব্যাংকিং ও ব্যাংকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এমনটা জানান তারা। যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট ব্যাংকিং লাগবে। স্মার্ট ব্যাংকার লাগবে। শিক্ষার্থীদের অল্প কিছু দেন, সলিড দেন, প্রায়োরিটি বেসিস কোর্স প্রণয়ন করুন। চাহিদাকে গুরুত্ব দিন, কাজ দেবে। তাহলেই চলবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে সুদের হারের এক পলিসি, বাণিজ্যিক ব্যাংকে আরেক পলিসি। নামও ভিন্ন। এগুলো জানতে হবে। শুধু পাস করার জন্য নয়, পরিচালনার জন্য শিখতে হবে। মননে-মগজে ধারণ করতে হবে।’
সীমান্ত ব্যাংকের এমডি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম) নিয়ে একটা কোর্স থাকা উচিত। এসএমই ও এগ্রিকে ফোকাস করা যেতে পারে।’
এনসিসি ব্যাংকের এমডি শামসুল আরেফিন বলেন, ‘কোর্স ডিজাইন ঠিকমতো করা হয়নি। প্র্যাকটিক্যাল হতে হবে। সিলেবাস সিস্টেম্যাটিক মনে হয়নি। মাস্টার্সে আরো প্রফেশনাল ফোকাস থাকা দরকার।’
কৃষি ব্যাংকের এমডি শওকত আলী খান বলেন, ‘ভালো রেজাল্ট নিয়ে ব্যাংকে জয়েন করছে। কিন্তু ডেডিকেশনে ঘাটতি আছে।
কমিউনিটি ব্যাংকের এমডি মশিউল হক চৌধুরী বলেন, ‘শেয়ারবাজার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ড. এবি ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যাংকের রোলটাই শিক্ষার্থীরা জানেন না। প্রডাক্ট নিয়ে তাদের জ্ঞানগত দুর্বলতা আছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পলিসি সংক্রান্ত বিষয় কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সাইবার সিকিউরিটি ও ডিজিটাল ব্যাংকিং অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাসিনা শেখ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন প্রফেসর আব্দুলা আল মামুন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জাহিদ হোসেন, এইচএসবিসি ব্যাংকের এমডি মাহবুব উর রহমান ও মেঘনা ব্যাংকের এমডি কিমিয়া সাদাতসহ আরো অনেকে।










