দেশে তৈরি পোশাক শিল্পের পশ্চিমা ক্রেতাদের থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্ষতিপূরণ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) উদ্যোগে পোশাক শ্রমিকদের জীবনে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিষয়সমূহের প্রভাব নিরূপণ এবং ট্রেড ইউনিয়নের করণীয় নির্ধারণ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে এমন মত দিয়েছেন আলোচকরা। বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সংলাপে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থ বিশেষজ্ঞ এম জাকির হোসাইন খান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ক্রেতাদের থেকে ড্যামেজ লস নেয়া উচিত। প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য স্বাস্থ্য বীমা করা দরকার। এ বীমার টাকা পরিশোধ করতে হবে ক্রেতাদেরকে। আন্তর্জাতিক শ্রমিক অধিকার নিয়ে যারা কাজ করে, প্রয়োজনে তাদের সহায়তা নেয়া যেতে পারে।
শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সমন্বয়কারী নইমুল আহসান জুয়েল বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে পৃথিবীর শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। আমরা একদিকে বৃক্ষরোপণ করি, অন্যদিকে গাছপালা কেটে কারখানা নির্মাণ করছি। এভাবে কি আসলেই পরিবেশ রক্ষা করা যাবে? এ জায়গাটা সরকারের দেখা উচিত।
অনুষ্ঠানে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ওপর পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে গবেষণা উপস্থাপন করেন বিলসের উপ-পরিচালক ও প্রধান গবেষক মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শ্রমিকদের মাঝে নতুন রোগের সৃষ্টি ও উৎপাদনশীলতায় প্রভাব পড়ছে। এ বিষয়ে এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবু তাহের, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মো. রাজা মিয়া, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাজমুল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মির্জা আসাদুল কিবরীয়াসহ অনেকে।










